সর্বশেষ:
Home / জাতীয় / ঢাকা ১৮ আসনে জনবান্ধব নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি: এম কফিল উদ্দিন আহমেদ

ঢাকা ১৮ আসনে জনবান্ধব নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি: এম কফিল উদ্দিন আহমেদ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের আগামী দিনের নীতি জনবান্ধব রাজনীতি। আমাদের লক্ষ্য মানুষের বাক স্বাধীনতা, ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। আমাদের এ বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। জনগনের আস্থা অর্জন করতে পারলেই আপনি নেতা। জনগণ প্রত্যাখ্যান করলে আপনি নেতা নন। দলীয় প্রধানের বক্তব্য অনুসারে ঢাকা মহানগর উত্তরের ঢাকা ১৮ নির্বাচনী আসনে জনবান্ধব নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি বলা যায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক, সাবেক ছাত্রনেতা ও রশিদ গ্রুপের এমডি শিল্পপতি এম কফিল উদ্দিন আহমেদ কে।

৯০ দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিএনপির নানা আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রভাগে। এই এলাকার সন্তান এম কফিল উদ্দিনের সাথে মানুষের রয়েছে রক্তের বাধন। ভালবাসার বাহুডোরে জনগনের মন জয় করে রাজনীতি করে আসছেন এই বিএনপি নেতা। রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, জনগণের পাশে থেকে তাদের আস্থা অর্জন করা। ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এমন একজন নেতার নাম বারবার উঠে আসছে, যিনি কর্মীবান্ধব ও জনবান্ধব হিসেবে তৃণমূলে দীর্ঘদিনের আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক, সাবেক ছাত্রনেতা ও শিল্পপতি এম কফিল উদ্দিন আহমেদ ।

এর আগে ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রাথী হিসেবে দলিয় চিঠি পেয়েছিলেন তিনি। এম কফিল উদ্দিনের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই। ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি বিএনপির আদর্শকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করেন। ছাত্ররাজনীতির সেই সময় থেকেই তিনি ত্যাগ, সাহস এবং নেতৃত্বের কারণে সহপাঠী ও কর্মীদের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন। ৯০ দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপির নানা আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রভাগে।

এ সময়ের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রাম তাকে গড়ে তোলে একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতায়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও যখন বিরোধীদলের নেতারা নানা বাধার মুখে পড়ছিলেন, অনেকেই তখন রাজনিতির মাঠ ছেড়ে দিয়েছিলেন কিংবা আতাত করে দূরে ছিলেন তখন এম কফিল উদ্দিন শত বাধা, মামলা , হামলা কে মোকাবেলা করেও রাজপথে টিকে ছিলেন। নিবেদিত প্রান ও লড়াকু কর্মী বাহিনীকে সাথে নিয়ে দলীয় সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নে ছিলেন সোচ্চার। রশিদ গ্রুপের গার্মেন্টস সহ অন্যন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অত্র অঞ্চলের বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তিনি ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, রাস্তা-ঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়ন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার এবং দুঃস্থ মানুষের সহায়তায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন ও অনুদান প্রদান করেন নিয়মিত। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে তিনি হয়ে ওঠেন জনবান্ধব নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি।

আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তিনি কারাবরণ করেন, মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হন, দমন-পীড়ন ও মামলার মধ্যেও দল ও জনগণের পাশে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা তার প্রতি মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করে। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, ঢাকা-১৮ আসনের বিএনপির পক্ষ থেকে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে এম কফিল উদ্দিনের বিকল্প নেই। “আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের সময় কফিল উদ্দিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদেরকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।” তিনি আওয়ামী আমলে মামলা হামলার শিকার দলীয় নেতা কর্মীদের অর্থ সহায়তা দিয়েছেন, জেলে যাওয়া নেতা কর্মীদের পরিবারের খোজ রেখেছেন নিয়মিত। তারা বলেন, এম কফিল উদ্দিন এখন ঢাকা ১৮ বাসীর রাজনৈতিক আশার প্রতীক।” “এ এলাকার জনগণ তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায়।”

এম কফিল উদ্দিন বলেন, “দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যদি আমার ওপর আস্থা রাখেন, তাহলে জীবন বাজি রেখে জনগণের পাশে থাকব। মনোনয়ন পেলে জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।” জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমি ঢাকা ১৮ আসনকে সারাদেশের মাঝে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। এই আসনের মানুষের কাছে এম কফিল উদ্দিন কেবল রাজনীতিবিদ নন, তিনি তাদের জীবনের অংশ। মানুষের সুখে-দুঃখে তার নিরলস উপস্থিতি সাধারণ ভোটারদের মনে এক গভীর আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, যা আগামী নির্বাচনে বিএনপির জন্য বড় শক্তি হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Check Also

বৃহত্তর মৈনারটেক বাজার কমিটির নতুন সভাপতি রোস্তম আলী ও সম্পাদক আকতার হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, মৈনারটেক বৃহত্তর মৈনারটেক বাজার কমিটির আগামী মেয়াদের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা …