বিশেষ সংবাদদাতা | উত্তরা, ঢাকা
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১ নং ওয়ার্ড। রাজধানীর প্রবেশদ্বার খ্যাত এই জনপদ এখন আসন্ন নির্বাচনী উত্তাপে কম্পমান। তবে এই উত্তাপ কেবল ভোটের নয়, বরং ‘যোগ্য নেতৃত্ব’ বেছে নেওয়ার। দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরশাসনের অবসরের পর উত্তরা ১ নং ওয়ার্ডে অনেক নব্য নেতার আবির্ভাব ঘটলেও, এলাকাবাসীর মুখে এখন একটিই নাম— এস আই টুটুল।
গর্ত থেকে বের হওয়া ‘সুবিধাবাদী’ বনাম রাজপথের ‘লড়াকু’ হাসিনা রেজিমের পতনের পর যখন চারদিকে স্বস্তির বাতাস, তখন হঠাৎ করেই উত্তরা ১ নং ওয়ার্ডে অনেক ‘বসন্তের কোকিল’ দেখা যাচ্ছে। গত দেড় দশকে যাদের রাজপথে খুঁজে পাওয়া যায়নি, যারা মামলার ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন কিংবা পরোক্ষভাবে স্বৈরাচারের সুবিধাভোগী ছিলেন, তারাই এখন নিজেদের ‘ত্যাগী’ দাবি করে ব্যানার-ফেস্টুনে এলাকা সয়লাব করছেন। কিন্তু ১ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ ও বিএনপি ঘরানার তৃণমূল কর্মীরা বলছেন ভিন্ন কথা।
তাদের মতে, “সুদিনের মৌমাছি নয়, দুর্দিনের কাণ্ডারিই হবে আমাদের প্রতিনিধি।” আর সেই মাপকাঠিতে সবার চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে আছেন উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির রানিং যুগ্ম আহবায়ক এস আই টুটুল। কেন আলোচনায় এস আই টুটুল? স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এস আই টুটুলের জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে তিনটি প্রধান কারণ:
আপোষহীন নেতৃত্ব: ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের বিশ্বস্ত সেনাপতি হিসেবে প্রতিটি আন্দোলনে টুটুল ছিলেন সম্মুখভাগের যোদ্ধা।
কারাগার ও লড়াই: শেখ হাসিনার রক্তচক্ষুকে পরোয়া না করে রাজপথের প্রতিটি লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলেও তিনি মাঠ ছেড়ে পালাননি।
জুলাই বিপ্লবে ভূমিকা: জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে যখন উত্তরায় রক্ত ঝরছিল, তখন এস আই টুটুল জীবন বাজি রেখে রাজপথে থেকে ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। জনগণের ‘অপেক্ষার প্রহর’ ১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের কাছে টুটুল কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং আপদে-বিপদে পাশে থাকা এক বড় ভাই। এলাকার তরুণ প্রজন্ম তাকে ‘সাহসের প্রতীক’ হিসেবে দেখছে।
স্থানীয় জনগণের দাবি— যারা গত ১৭ বছর মামলা-হামলার ভয়ে ঘরে বসে থেকে এখন নেতা সাজতে চাইছেন, তাদের প্রত্যাখ্যান করার সময় এসেছে। ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এমন এক কাউন্সিলরের জন্য, যিনি তাদের অধিকার আদায়ে কখনো পিছুপা হবেন না। আর সেই আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন রাজপথের ত্যাগী সৈনিক এস আই টুটুল।
ভয়েস অফ ঢাকা ১৮ – সকল সংবাদ একসাথে