এ যেনো হেলাল তালুকদারের প্রতি জনগণের গভীর আস্থা ও সমর্থনের প্রতিফলন
নিজস্ব প্রতিবেদক, দক্ষিণখান:
রাজধানীর দক্ষিণখানের ৪৭ নং ওয়ার্ডে এক নজিরবিহীন ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দক্ষিণখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক হেলাল তালুকদারের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১০ হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উত্তরা অঞ্চলের রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, উত্তরা এলাকায় ইতিপূর্বে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে এত বড় ইফতার মাহফিল আর দেখা যায়নি।
রাজধানীর দক্ষিণখানের ৪৭ নং ওয়ার্ডে এক নজিরবিহীন ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দক্ষিণখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক হেলাল তালুকদারের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১০ হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উত্তরা অঞ্চলের রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, উত্তরা এলাকায় ইতিপূর্বে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে এত বড় ইফতার মাহফিল আর দেখা যায়নি।
গত শনিবার ফায়দাবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও আজগারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা মাঠে এই দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জনাব আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য জনাব এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
ইফতার মাহফিলটি মূলত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো এবং হেলাল তালুকদারের পিতা মরহুম মো. শাহজাহান তালুকদারের রুহের মাগফেরাত কামনায় আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল উপস্থিতির ধরন। আয়োজক সূত্রে জানানো হয়, বাইরের কোনো লোক ভাড়া করে আনা হয়নি; বরং ৪৭ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড়ে মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। স্থানীয়দের এই উপচে পড়া ভিড়কে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা হেলাল তালুকদারের প্রতি জনগণের গভীর আস্থা ও সমর্থনের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
ইফতারে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের কণ্ঠে ছিল পরিবর্তনের সুর। উপস্থিত অনেকের মতে, এই বিশাল জমায়েত একটি পরিষ্কার ইশারা যে, ৪৭ নং ওয়ার্ডের মানুষ হেলাল তালুকদারকেই তাদের যোগ্য অভিভাবক হিসেবে মানেন। আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করুন এবং ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে এলাকার সেবার দায়িত্ব নিন—এমনটাই এখন স্থানীয় জনগণের প্রাণের দাবি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং প্রয়াত নেতাদের আত্মার শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
ভয়েস অফ ঢাকা ১৮ – সকল সংবাদ একসাথে