নিজস্ব প্রতিবেদক, উত্তরা: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তরা ১ নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সরব পদচারণায় পাড়া-মহল্লা এখন বেশ সরগরম। পোস্টার, ফেস্টুন আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন অনেকেই। তবে ভোটারদের নজর কেড়েছেন উত্তরা পূর্ব থানা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অপু শিকদার।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে জয়লাভ করা বিএনপির এমপি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের নির্বাচনী বিজয় নিশ্চিত করতে অপু শিকদারের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখতে নিরলস কাজ করে গেছেন। অপু শিকদারের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সততা, নিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এক অনন্য সংমিশ্রণ তার মধ্যে। স্থানীয়দের মতে, বংশগত ও সামাজিক মর্যাদায় উত্তরা অঞ্চলের একটি প্রাচীন ও সম্মানিত পরিবারের সন্তান তিনি।
তরুণ ও প্রাণোচ্ছ্বল এই নেতার বিরুদ্ধে নেই কোনো চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা সন্ত্রাসের মতো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই নেতার ব্যক্তিগত আচরণে মুগ্ধ দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ। ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা জানান, অপু শিকদার কেবল একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি কর্মী-বান্ধব এবং সদা হাস্যোজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব হিসেবেও পরিচিত। সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে তার উপস্থিতি এলাকাবাসীর মধ্যে বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে এলাকাবাসীদের প্রত্যাশা, যদি অপু শিকদার কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হন, তবে তিনি জয়ী হয়ে ১ নং ওয়ার্ডকে একটি ‘মডেল ওয়ার্ড’ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। তারা মনে করছেন, বর্তমান সময়ে এমন একজন সৎ ও শিক্ষিত তরুণেরই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রয়োজন রয়েছে।
এ বিষয়ে অপু শিকদারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, তিনি বরাবরই মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ভালোবাসেন। দলের নীতিনির্ধারক ও এলাকাবাসীর সমর্থন পেলে এবং আসন্ন নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলে, তিনি তার ওয়ার্ডকে আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর।
ভয়েস অফ ঢাকা ১৮ – সকল সংবাদ একসাথে